.
● “হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।” (সূরাহ নাবা, আয়াত : ৪০)
.
● “হায়! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম।” (সূরাহ ফজর, আয়াত : ২৪)
.
● “হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো।” (সূরাহ আল-হাক্কা, আয়াত : ২৫)
.
● “হায়! আমি যদি ওকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।” (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৮)
.
● “হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করতাম।” (সূরা আহযাব, আয়াত : ৬৬)
.
● “হায়! আমি যদি রাসূল ﷺ এর পথ অবলম্বন করতাম।” (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৭)
.
● “হায়! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তা হলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম।” (সূরাহ আন-নিসা, আয়াত : ৭৩)
.
● “হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।” (সূরা কাহফ, আয়াত : ৪২)
.
● “হায়! এমন যদি হতো ― আমাদেরকে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো,আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারদের মধ্যে শামীল।” (সূরাহ আনআম, আয়াত : ২৭)
-
মৃত্যু পরবর্তি ৯টি আকাঙ্ক্ষা
-
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস
প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা, স্নেহ-প্রীতি, ভক্তি-শ্রদ্ধা ইত্যাদি রবের পক্ষ হতে বান্দার প্রতি সিমাহীন অনুগ্রহ৷ যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
وَمِنْ اٰيٰتِهٖۤ اَنْ خَلَقَ لَكُمْ مِّنْ اَنْفُسِكُمْ اَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوْۤا اِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُمْ مَّوَدَّةً وَّرَحْمَةً ؕ اِنَّ فِىْ ذٰ لِكَ لَاٰيٰتٍ لِّقَوْمٍ يَّتَفَكَّرُوْنَ.
আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই সৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদের সংগিনীদেরকে, যাতে তোমরা তাদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করিয়াছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে। (সূরা রূম ২১ আয়াত৷)
তাই ভালোবাসা হলো আত্মার তৃপ্তি৷ মনের প্রশান্তি। জীবন চলার পাথেয়৷ আল্লাহ তায়ালা আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা শিক্ষা দিয়েছেন, যা কোনো বিশেষ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও উত্তম চরিত্রমাধুর্য দ্বারা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জয় করে নিয়েছেন শত কোটি মানুষের হৃদয়, বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছেন ইসলামের বিকিরণ। প্রতিটি ভালোবাসা হতে হবে আবেগ, বিবেক ও স্রষ্টার সম্মতির সমন্বয়। কিন্তু যে ভালোবাসা হয় শুধু আবেগ বা কুপ্রবৃত্তির, সে ভালোবাসা মানুষের ইহকাল-পরকাল উভয়কে ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস করে দেয় মানুষের মনুষ্যত্বকে, জাগরিত করে পশুত্বের হিংস্র বৈশিষ্ট্যকে৷
দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বে ভালোবাসা দিবসের নামে উৎপত্তি হচ্ছে নানান অপসংস্কৃতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড৷ ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা। ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন৷ যা ইসলামের নীতি ও আদর্শবহির্ভূত।আর তাইতো নৈতিক অবক্ষয় দাবানলের মত ছড়িয়ে যাচ্ছে।
#ভালোবাসা_দিবসের_সূচনাঃ
নোংরা ও জঘন্য ইতিহাসের স্মৃতিচারণের নাম বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এ ইতিহাসটির বয়স ১৭৩৭ বছর হলেও বিশ্ব ভালবাসা দিবস নামে এর চর্চা শুরু হয় সাম্প্রতিক কালেই।
২৭০ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারীর কথা। তখন রোমের সম্রাট ছিলেন ক্লডিয়াস। সে সময় ভ্যালেন্টাইন নামে একজন সাধু ছিল, যিনি তরুণ প্রেমিক-প্রেমিকাদেরকে গোপন পরিণয়-মন্ত্রে দীক্ষা দিত। এ অপরাধে সম্রাট ক্লডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরশ্ছেদ করেন। আর যেদিন তাকে শিরশ্ছেদ করা হয়, সেদিনটি ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারী৷ তার এ ভ্যালেন্টাইন নাম থেকেই এ দিনটির নাম করণ করা হয় ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ যা আজকের ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’।
বাংলাদেশে এ দিবসটি পালন করা শুরু হয় ১৯৯৩ ইং সাল থেকে। কিছু ব্যবসায়ীর মদদে এটি প্রথম চালু হয়৷ অপরিণামদর্শী মিডিয়া কর্মীরা এর ব্যাপক কভারেজ দেয়। আর যায় কোথায়! লুফে নেয় তাকে বাংলার তরুণ-তরুণীরা। এরপর থেকে মুসলমানের মধ্যে বৈধ ভালবাসার পরিবর্তে অবৈধ ভালোবাসা বেঁধে দেয়ার কাজটা যথারীতি চলছে। আর এর ঠিক পিছনেই মানব জাতির আজন্ম শত্রু মিষ্টার ইবলিস এইডস নামক মরণ-পেয়ালা হাতে নিয়ে খিলখিল করে হাসছে। মানুষ যখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস সম্পর্কে জানত না, তখন পৃথিবীতে ভালবাসার অভাব ছিলনা। আজ পৃথিবীতে ভালবাসার বড়ই অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালবাসার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়! আর হবেই না কেন! অপবিত্রতা নোংরামি ও শঠতার মাঝে তো আর প্রকৃত ভালোবাসা নামক বস্তুটি থাকতে পারে না। তাই আল্লাহ তায়ালা মানুষের হৃদয় মন থেকে ভালবাসা উঠিয়ে নিয়েছেন।
#বিশ্ব_ভালোবাসা_দিবসকে_চেনার_কিছু_বাস্তব_নমুনাঃ
দিনটি যখন আসে তখন শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা তো একেবারে বেসামাল হয়ে উঠে। নিজেদের রূপ-সৌন্দর্য উজাড় করে প্রদর্শনের জন্য রাস্তায় নেমে পড়ে। শুধুই কি তাই ! অঙ্কন পটীয়সীরা উল্কি আঁকার জন্য পসরা সাজিয়ে বসে থাকে রাস্তার মোড়ে মোড়ে৷ তাদের সামনে তরুণীরা পেট-পিঠ,বুক-বাহু আর হস্তদ্বয় মেলে ধরে পছন্দের উল্কিটি এঁকে দেয়ার জন্য। তারপর রাত পর্যন্ত নীরবে-নিবৃতে চলে প্রেমিক- প্রেমিকার অবৈধ আনন্দ উল্যাস৷ যেদিন অকালেই হাড়িয়ে ফেলে কত নারী তার সর্বদামী সতিত্ব৷ এ হলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের কর্মসূচি!
আমি বলি কি
এ দিবসটিকে বিশ্ব ভালবাসা দিবস না বলে বিশ্ব বেহায়াপনা দিবস বললে অন্তত নামকরণটি যথার্থ হতো।
#বিশ্ব_ভালোবাসা_দিবস_পালনের_ক্ষতিকর_কিছু_দিকঃ
☞ ভালোবাসা নামের এ শব্দটির সাথে এক চরিত্রহীন লম্পটের স্মৃতি জড়িয়ে যারা ভালোবাসার জয়গান গেয়ে চলেছে, পৃথিবীবাসীকে তারা সোনার পেয়ালায় করে নীল বিষ পান করিয়ে বেড়াচ্ছে।
☞ তরুণ তরুণদের সস্তা যৌন আবেগকে সুড়সুড়ি দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও ফাসাদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ আল্লাহ তায়ালা ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ভালোবাসেন না। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ তারা তো পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়। আর আল্লাহ ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ভালবাসেন না। (সূরা মায়িদা ৬৪ আয়াত৷)
☞ নির্লজ্জতা ও বেহায়াপনা জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করছে। যারা ঈমানদারদের সমাজে এ ধরণের অশ্লীলতার বিস্তার ঘটায়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি.. (সূরাহ নূর ১৯ আয়াত৷)
বস্তুত যে সমাজেই চরিত্র-হীনতার কাজ ব্যাপক, তথায় আল্লাহর নিকট থেকে কঠিন আযাবসমূহ ক্রমাগত অবতীর্ণ হওয়া অবধারিত, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে জনগোষ্ঠীর মধ্যে নির্লজ্জতা প্রকাশমান এবং তারা এর ব্যাপক প্রচারেরও ব্যবস্থা করে, তার অনিবার্য পরিণতি স্বরূপ মহামারি, সংক্রামক রোগ এবং ক্ষুধা-দুর্ভিক্ষ এত প্রকট হয়ে দেখা দিবে, যা তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে কখনই দেখা যায় নি। (সুনানে ইবনে মাজাহ ৪০০৯ হাদীস৷)
☞ তরুণ তরুণীরা বিবাহ পূর্ব দৈহিক সম্পর্ক গড়তে কোন রকম কুণ্ঠাবোধ করছে না। অথচ তরুণ ইউসুফ আলাইহিস সালামকে যখন মিশরের মহা এক রানী অভিসারে ডেকেছিল, তখন তিনি কারা বরণকেই এহেন অপকর্মের চেয়ে উত্তম জ্ঞান করেছিলেন। যুব-চরিত্রকে পবিত্র রাখার জন্য তিনি অতুলনীয় ও উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন! আল্লাহ তায়ালা সূরা ইউসুফের ২৩-৩৪ নং আয়াত পর্যন্ত এ ঘটনা বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন৷
☞ শরীরে উল্কি আঁকাতে যেয়ে নিজের ইয্যত-আব্রু পরপুরুষকে দেখানো হয়। যা প্রকাশ্য কবিরা গুনাহ। যেমন হাদীস শরীফে হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি উল্কি আঁকে এবং যে আঁকায়, উভয়য়ের উপরই আল্লাহর লা‘নত। (সহীহুল বুখারী ৫৪৭৭ হাদীস৷)
মূলত যার লজ্জা নেই, তার পক্ষে এহেন কাজ নেই যা করা সম্ভব নয়। তাইতো হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তাহলে যা ইচ্ছা তুমি তাই করতে পার। (সহীহুল বুখারী ৩২২৫ হাদীস৷)
☞ ভালোবাসা দিবসের নামে নির্লজ্জতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে যিনা-ব্যভিচার, খুন-খারাবী ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্ণিত, হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে জনগোষ্ঠীর-মধ্যে ব্যভিচার ব্যাপক হবে, তথায় মৃত্যুর আধিক্য ব্যাপক হয়ে দেখা দেবে। (মুয়াত্তা মালিক ৮৭০ হাদীস৷)
উপরোক্ত আয়াত ও হাদীসের ভাষ্য কতটা বাস্তব, বর্তমান বিশ্বের চিত্র এর প্রমাণ বহন করছে।
সুতরাং আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন মুসলমানের জন্য এ দিবস পালন করা বা এটাকে সমর্থন করা অথবা এ উপলক্ষে প্রেম-ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা বিনিময় করা জায়েয হবে না। অতএব তা পরিহার করা উচিত!
#সৌজন্যেঃ
আত-তাহমীদ ইসলামীক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ৷
তারিখ-১২/২/২০ ইসায়ী৷ -
পরম প্রিয়তম আল্লাহ”
পরম প্রিয়তম আল্লাহ
আমার ভালোবাসা,
নির্আশার আঁধারে তুমি
আলো-আশা।
আমার ভালোবাসা।জীবনে তুমি আমার
মরনেও তুমি,
স্বয়নে তুমি আমার
স্বপ্নেও তুমি।
সুখে-দুঃখে আমার
তুমিই ভরসা।
নির্আশার আঁধারে তুমি
আলো-আশা।
আমার ভালোবাসা।আশাহত মনের তুমি
আশা যুগাও,
তৃষ্ণিত মনের তুমি
তৃষ্ণা মিঠাও।
ঘুচাও মনের তুমি
সকল অমানিশা৷
নির্আশার আঁধারে তুমি
আলো-আশা।
আমার ভালোবাসা। -
সকল আসমানী কিতাব রমযান মাসেই নাযিল হয়েছে
কুরআনুল কারীমসহ পুর্ববতী সকল আসমানী কিতাব রমযান মাসেই নাযিল হয়েছে৷ যেমন- হাদীসের সুবিখ্যাত কিতাব মুসনাদে আহমাদ গ্রন্থে হযরত ওয়াসেলা ইবনে আসকা রাযিঃ থেকে বর্নিত৷ রমযান মাসের ১-তারিখে
হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর উপর সহীফা শরীফ নাযিল হয়েছে।
এর ৭শত বছর পর রমযান মাসের ৬-তারিখে হযরত মুসা (আঃ) এর উপর তাওরাত শরীফ নাযিল হয়েছে।
এর ৫শত বছর পর রমযান মাসের ১২-তারিখে হযরত দাউদ (আঃ) উপর যাবুর শরীফ নাযিল হয়েছে।
এর ১২শত বছর পর রমযান মাসের ১৩- তারিখে হযরত ঈসা (আঃ) এর উপর
ইঞ্জীল শরীফ নাযিল হয়েছে।
এর ৬শত ২০বছর পর রমযান মাসের ২৪- তারিখে লাইলাতুল কদরে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর কুরআনুল কারীম নাযিল হয়েছে। (মুসনাদে আহমাদ ৪/১০৭)
তাছাড়া কুরআনুল কারীম নাযিল সম্পর্কে কুরআনেই ইরশাদ হচ্ছে-
وَالْكِتٰبِ الْمُبِيْن ۛۙ
اِنَّاۤ اَنْزَلْنٰهُ فِىْ لَيْلَةٍ مُّبٰـرَكَةٍ.
শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।
আমি ইহা অবতীর্ণ করেছি এক মুবারক রজনীতে৷ (সূরা দোখান ২-৩)
মুবারক রজনী সম্পর্কে কুরআনের অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে-
اِنَّاۤ اَنْزَلْنٰهُ فِىْ لَيْلَةِ الْقَدْرِ.
নিশ্চয়ই আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদরে৷ (সূরা কদর ১)
আর লাইলাতুল কদর কোন মাসে সে সম্পর্কে কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে-
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِىْٓ اُنْزِلَ فِيْهِ الْقُرْاٰنُ.
রমযান এমন একটি মাস,যাতে কুরআনুল কারীম নাযিল হয়েছে৷ (সূরা বাকারাহ ১৮৫)
ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻋﻠﻢ بالصواب.
‘
#প্রমাণ্যগ্রন্থাবলীঃ
তাফসীরে ইবনে আব্বাস ৩/২৭৭,২৮৮,৬৯৬ পৃষ্ঠা৷
তাফসীরে ইবনে কাসীর ২/৯৭ পৃষ্ঠা৷
তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন ১/৪৯৮ পৃষ্ঠা৷
তাফসীরে মাযহারী ১/৩৬৭ পৃষ্ঠা৷
তাফসীরে উসমানী ১/১৩৯ পৃষ্ঠা৷
তাফসীরে তাওযীহু কুরআন ৩/৩১২,৭৩৩ পৃষ্ঠা৷
তাফসীরে আনওয়ারুল কুরআন ১/২৬৪ পৃষ্ঠা৷
তাফসীরে আহসানুল বয়ান ৫১ পৃষ্ঠা৷
মুসনাদে আহমাদ ৪/১০৭ পৃষ্ঠা৷
দুররাতুন-নাসিহীন ১৯ পৃষ্ঠা। -
তোমার দয়ায় বেঁচে আছি
তোমার দয়ায় বেঁচে আছি
আমি গোনাহগার বান্দা,
তোমার নিয়ামতে ডুবে আছি
আমি সকাল-সন্দ্যা।
বন-বনানী জুড়ে দিলে ফুল-ফল,
দিগন্ত বিস্তৃত ভরে ফসল।
তোমার করুনা পাই সদা,
আমি গোনাহগার বান্দা।
চাঁদের আলো আর সুর্যের আলো,
দয়া করে দিলে তুমি বেসে ভালো।
তোমার ভালোবাসা পাই সদা,
আমি গোনাহগার বান্দা। -
বড় কষ্টে আছি
♥♥♥♥♥♥♥♥
বড়ই কষ্টে আছি
তোমারই বিরহে
ওগো নবীজি,
তুমি ছাড়া প্রিয়তম
ধরনী রাহে
কেহ নাই বুঝি!
হৃদয় আমার কেঁদে মরে,
বিরহ-বারী নয়ন জুড়ে।
প্রিয়তমহারা সদমা ভরা
মন তোমার বিরহে।
ওগো নবীজি!!
সাহারাসম তুন্য মনে,
দেয় যাতনা হ্মণে-হ্মণে।
প্রিয়জনহারা ছন্নছাড়া
আমি তোমার বিরহে।
ওগো নবীজি!! -
কুরআনুল কারীমের পরিচয়
কুরআনুল কারীম মহান আল্লাহ তায়ালার কালাম।
কুরআন প্রথম রমযান মাসের লাইলাতুল কদরে লওহে মাহফুয হতে পৃথিবীর নিকটতম আসমান বাইতুল-ইইজ্জতে নাযিল হয়৷ অতপর, সেখান থেকে প্রয়োজন অনুসারে অল্প-অল্প করে সু-দীর্ঘ ২৩ বছরে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর নাযিল হয়। (তিলাওয়াতে কুরআন ১২৮ পৃষ্ঠা।)
#আল_কুরআনের_নামঃ
১৷ আল-কুরআন।
২৷ আল-কিতাব।
৩৷ আল-ফুরক্বন।
৪৷ আয-যিকর।
৫৷ আত-তানযিল।
তন্মধ্যে সর্বাধিক প্রশিদ্দ্ব
নাম হল আল-কুরআন।
যা কুরআনুল কারীমের ৬১টি স্থানে উল্লেখ্য রয়েছে। (উলুমুল কুরআন ১/১৭ পৃষ্ঠা। তাফসীরে জালালাইন ১/১৯ পৃষ্ঠা৷ আনওয়ারুল কুরআন ১/১ পৃষ্ঠা৷)
#আল_কুরআনের_পারা_সূরা_ইত্যাদিঃ
আল কুরআনের
পারা ৩০টি।
সূরা-১১৪টি।
মাক্কী সূরা-৮৭টি।
মাদানী সূরা-২৭টি।
মানযিল-৭টি।
রুকু-৫৪০টি।
সিজদা-১৪টি।
আয়াত-৬৬৬৬টি।
শব্দ-৮৬৪৩টি।
হরফ-৩৪০৭৪০টি।
নুকতা-১০৫৬৮৪টি।
যবর-৫৩২২৩টি।
যের-৩৯৫৮৩টি।
পেশ-৮৮০৪টি।
তাশদীদ-১২৭৪টি।
মাদ্দ-১৭৭১টি।
(তাফসীরে জালালাইন ১/৩৯ পৃষ্ঠা৷ তাফসীরে আনওয়ারুল কুরআন ১/১১ পৃষ্ঠা৷ আল-ইতক্বান ১/১৩০ পৃষ্ঠা।)
#আল_কুরআনে_কোন_হরফ_কতবার_এসেছেঃ
আলিফ-৪৮৮৭২টি।
বা-১১৪২৮টি।
তা-১১৯৯টি।
ছা১২৭৬টি।
জীম-৩২৭৩টি।
হা-৯৭৩টি।
খ-২৪১৬টি।
দাল-৫৬০২টি।
যাল-৪৬৭৭টি।
র-১১৭৯৩টি।
যা-১৫৯০টি।
সিন-৫৯৯১টি।
শীন-২১৫৫টি।
সোয়াদ-২০১২টি।
দোয়াদ-১৩০৭টি।
তোয়া-১২৭৭টি।
যোয়া-৮৪২টি।
আইন-৯২২০টি।
গইন-২২০৮টি।
ফা-৮৪৯৯টি।
ক্বফ-৬৮১৩টি।
কাফ-৯৫০০টি।
লাম-২৪৩২টি।
মীম-৩৬৫৩৫টি।
নূন-৪০১৯০টি।
ওয়াঁও-২৫৫৪৬টি।
হা-১৯০৭০টি।
হামযাহ-৩৭৭০টি।
ইয়া-৪৫৯১৯টি।
(তাফসীরে কুরতুবী ১/৭১ পৃষ্ঠা। তাফসীরে আনওয়ারুল কুরআন ১/১০ পৃষ্ঠা৷ আল-ইতক্বান ১/১৩০ পৃষ্ঠা।)
#সৌজন্যেঃ
আত তাহমীদ ইসলামীক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ
২১/১১/২০২০ ঈসায়ী৷ -
অধমকে নিয়ে এক শুভাকাংক্ষির আকুতি
Faruk Islam মন্তব্য করেছেন,
অামি ঐ সমস্ত অালেমদের অাল্লাহর জন্যই ভালোবাসি, যারা অাল্লাহর জন্যই কাজ করে, অাল্লাহর দ্বীন কায়েম করার জন্য সদা সোচ্চার থাকে, অাল্লাহর স্মরণ থেকে তাদের কোনো কিছু বিরত রাখেনা, অামার মতো সাধারণ মানুষকেও যারা বুঝেন ও আমার কথা শুনেন, কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করলে তা ফেলতে পারেন না, বিরক্তবোধ করেন না, বরং সন্তুষ্ট চিত্তে তার উত্তম জবাব দেন৷ এর মধ্যে সর্বাধিক প্রিয় মুফতী তাহমীদ শামী
আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদানসহ নেক হায়াত দান করুন৷ আমিন! -
বাল্য বিবাহ বাংলাদেশের জাতীয় আদর্শ
বাল্য বিবাহ বাংলাদেশের জাতীয় আদর্শ হওয়া উচিত৷ কেননা আমাদের জাতীয় সংগীত রচয়িতা বাল্য বিবাহ করেছেন৷
আজ থেকে ১৩৫ বছর আগে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে বিয়ে হয় এক মহিলার। নাম মৃণালিনী দেবী৷ আসল নাম ভবতারিনী। এই ভবতারিনীর বয়স যখন দশ বছর, তখন তার সাথে বিয়ে হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।
দশ বছর বয়সী মৃণালিনীর সাথে তাগড়া রবি ঠাকুরের বিয়েতে আমি অবশ্যই বাল্যবিবাহের দোষ খুঁজছিনা। মৃণালিনীর সমাজ, তার পরিবার এবং সে নিজে জানে যে ওই দশ বছরেই সে বিয়ের উপযুক্ত ছিলো। তার সমাজ, পরিবার এবং সে নিজে সবটা জেনেবুঝেই সর্বসম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়। আরো উল্লেখ্য, তৎকালীন সময়ে এই বিয়েকে কেউই বাল্য বিবাহ তকমা দিয়ে সমালোচনার বিষবাক্যে এফোঁড়ওফোঁড় করে ছাড়েনি৷ কারণ, ঘটনাটা আদৌ সমালোচনার মতো ব্যাপার ছিলোই না।
সমস্যা বেঁধেছে রবীন্দ্রানুসারীদের নিয়ে৷ রবীন্দ্র ভক্তরা নিজেদের খুব আধুনিক, প্রগতিশীল আর সংস্কৃতিমনা ভাবতে গিয়ে প্রায়ইশ ধর্ম নিয়ে খোঁচাখুঁচি করে থাকে৷ তারা সুযোগ পেলেই রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার বিয়ে নিয়ে কটুবাক্য আওড়ায়। অথচ, তাদের আরাধ্য গুরু, পূজিত সংস্কৃতি দেবতাই দশ বছর বয়েসীএকজন কিশোরীকে বিয়ে করেছিলেন আজ থেকে মাত্র ১৩৫ বছর আগে। আরবের সেই সময়ের তুলনায় রবি ঠাকুরের সময়টা অত্যন্ত নিকট অতীত।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, এসব রবীন্দ্র ভক্তরা কেবল আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার বয়সটাই দেখে, কিন্তু রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তত্ত্বাবধানে উনি যে উম্মাহর একজন ‘শিক্ষক’ হয়ে উঠেছিলেন, বিশাল জ্ঞানের ধারক হয়ে উঠেছিলেন- সে কথা তারা বেমালুম চেপে যাবে। হায়রে হারামীর দলঃ -
হাশরের ময়দানে মানুষের অবস্থা
মহাগ্রন্থ আল কুরআনুল কারীমে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন-
يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ اَخِيْهِ ۙ
সেদিন অর্থাৎ কিয়ামতের দিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে,
وَاُ مِّهٖ وَاَ بِيْهِ ۙ
এবং তার মা ও তার বাবা থেকে,
وَصَا حِبَتِهٖ وَبَنِيْهِ ۗ
এবং তার স্ত্রী ও তার সন্তানাদি থেকে,
لِكُلِّ امْرِیءٍ مِّنْهُمْ يَوْمَئِذٍ شَأْنٌ يُّغْنِيْهِ ۗ
সেদিন প্রত্যেকেই নিজের চিন্তায় ব্যতিব্যস্ত থাকবে।
وُجُوْهٌ يَّوْمَئِذٍ مُّسْفِرَةٌ ۙ ضَاحِكَةٌ مُّسْتَبْشِرَةٌ ۚ
এবং সেদিন অনেক মুখ হবে উজ্জ্বল, সহাস্য, উৎফুল্ল।
وَوُجُوْهٌ يَّوْمَئِذٍ عَلَيْهَا غَبَرَةٌ ۙ تَرْهَقُهَا قَتَرَةٌ ۗ
এবং অনেক মুখ হবে ধূলি ধূসরিত। তাদেরকে আচ্ছন্ন করে রাখবে কালিমা।
اُولٰٓئِكَ هُمُ الْكَفَرَةُ الْفَجَرَةُ.
তারাই কাফের ও পাপিষ্ঠের দল৷
(সূরা আবাসা ৩৪-৪২ আয়াত৷)