বাল্য বিবাহ বাংলাদেশের জাতীয় আদর্শ হওয়া উচিত৷ কেননা আমাদের জাতীয় সংগীত রচয়িতা বাল্য বিবাহ করেছেন৷
আজ থেকে ১৩৫ বছর আগে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে বিয়ে হয় এক মহিলার। নাম মৃণালিনী দেবী৷ আসল নাম ভবতারিনী। এই ভবতারিনীর বয়স যখন দশ বছর, তখন তার সাথে বিয়ে হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।
দশ বছর বয়সী মৃণালিনীর সাথে তাগড়া রবি ঠাকুরের বিয়েতে আমি অবশ্যই বাল্যবিবাহের দোষ খুঁজছিনা। মৃণালিনীর সমাজ, তার পরিবার এবং সে নিজে জানে যে ওই দশ বছরেই সে বিয়ের উপযুক্ত ছিলো। তার সমাজ, পরিবার এবং সে নিজে সবটা জেনেবুঝেই সর্বসম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়। আরো উল্লেখ্য, তৎকালীন সময়ে এই বিয়েকে কেউই বাল্য বিবাহ তকমা দিয়ে সমালোচনার বিষবাক্যে এফোঁড়ওফোঁড় করে ছাড়েনি৷ কারণ, ঘটনাটা আদৌ সমালোচনার মতো ব্যাপার ছিলোই না।
সমস্যা বেঁধেছে রবীন্দ্রানুসারীদের নিয়ে৷ রবীন্দ্র ভক্তরা নিজেদের খুব আধুনিক, প্রগতিশীল আর সংস্কৃতিমনা ভাবতে গিয়ে প্রায়ইশ ধর্ম নিয়ে খোঁচাখুঁচি করে থাকে৷ তারা সুযোগ পেলেই রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার বিয়ে নিয়ে কটুবাক্য আওড়ায়। অথচ, তাদের আরাধ্য গুরু, পূজিত সংস্কৃতি দেবতাই দশ বছর বয়েসীএকজন কিশোরীকে বিয়ে করেছিলেন আজ থেকে মাত্র ১৩৫ বছর আগে। আরবের সেই সময়ের তুলনায় রবি ঠাকুরের সময়টা অত্যন্ত নিকট অতীত।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, এসব রবীন্দ্র ভক্তরা কেবল আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার বয়সটাই দেখে, কিন্তু রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তত্ত্বাবধানে উনি যে উম্মাহর একজন ‘শিক্ষক’ হয়ে উঠেছিলেন, বিশাল জ্ঞানের ধারক হয়ে উঠেছিলেন- সে কথা তারা বেমালুম চেপে যাবে। হায়রে হারামীর দলঃ