রচনা-প্রবন্ধশরয়ী হুকুম আহকাম

৪৫৩. সদকাতুল ফিতরের বিধি বিধান

মুফতী তাহমীদ শামী

بسم الله الرحمن الرحيم.

#সদকাতুল_ফিতর_ওয়াজিব_হওয়ার_কারনঃ

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ فَرَضَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم زَكَاةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنْ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِينِ فَمَنْ أَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلَاةِ فَهِيَ زَكَاةٌ مَقْبُولَةٌ وَمَنْ أَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلَاةِ فَهِيَ صَدَقَةٌ مِنْ الصَّدَقَاتِ.
হযরত ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ হযরত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোযাদারের অনর্থক কথাবার্তা ও অশালীন আচার-আচরণের কাফ্‌ফারাস্বরূপ এবং গরীব-মিসকীনদের আহারের সংস্থান করার জন্য সদকাতুল ফিতরের বিধান দিয়েছেন৷ যে ব্যক্তি ঈদের সলাতের পূর্বে তা পরিশোধ করে (আল্লাহর নিকট)-তা গ্রহণীয় দান হিসেবে বিবেচিত হবে। আর যে ব্যক্তি ঈদের সলাতের পর তা পরিশোধ করে, তাও দানসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি দান হিসেবে বিবেচিত হবে। সনদ হাসান৷ (সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮২৭ হাদীস৷ সুনানে আবূ দাউদ ১৬০৯ হাদীস৷ সুনানে দারাকুতনী ২০৬৭ হাদীস৷ মিশকাতুল মাসাবীহ ১৮১৮ হাদীস৷)
※ হযরত আবু হাফস শাহীন গ্রহণযোগ্য সনদে বর্ণনা করেনঃ
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لَا يَزَالُ صِيَامُ الْعَبْدِ مُعَلَّقًاۢ بَيْنَ السَّمَآءِ وَالْأَرْضِ حَتّٰى يُؤَدِّىَ صَدَقَةَ الْفِطْرِ.
হযরত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-
বান্দাহর রোযা রবের নিকট পৌঁছে না, আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী ঝুলন্ত অবস্থায় রয়ে যায়, যতক্ষণ পর্যন্ত না সদকাতুল ফিতর আদায় করে। (কানযুল উম্মাল ২৪১৩০ হাদীস৷ ফয়জুল কালাম ৩৬০ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪০ পৃষ্ঠা৷ দুররাতুন নাসিহীন ৪৯৩ পৃষ্ঠা৷)

১৷ মাসআলাঃ
#যাদের_উপর_সদকাতুল_ফিতর_ওয়াজিবঃ
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَضَ زَكَاةَ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ عَلَى النَّاسِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيْرٍ عَلَى كُلِّ حُرٍّ أَوْ عَبْدٍ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى مِنْ الْمُسْلِمِيْنَ.
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমার রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, আযাদ-গোলাম, বালেগ-নাবালেগ সকলের উপর রমযানে সদকাতুল ফিতর হিসেবে একসা খেজুর কিংবা একসা যব নির্ধারন করে দিয়েছেন৷ সনদ সহীহ৷ (সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮২৬ হাদীস৷ সহীহুল বুখারী ১৫০৪ হাদীস৷ সহীহু মুসলিম ২১৬৮ হাদীস৷ সুনানে তিরমিযী ৬৭৬ হাদীস৷ সুনানে নাসায়ী ২৫০৪ হাদীস৷)

২৷ মাসআলাঃ
ঈদুল ফিতরের দিন যে ব্যক্তির মালিকানায় প্রয়োজন অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তথা- সাড়ে সাত ভড়ি স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন ভড়ি রুপা কিংবা এই পরিমাণ অর্থসম্পদ থাকে, তার উপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব। আর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর হস্তগত থাকা শর্ত নয়৷ (সহীহুল বুখারী ১৫১১ হাদীস৷ মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৮১ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে আলমগীরী ১/৪৬৬ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে জামেয়া ৬/৫৫২ পৃষ্ঠা৷ আশরাফুল হিদায়া ২/১৫৫ পৃষ্ঠা৷ শরহে মুখতাসারুল কুদুরী ১/১৪৯ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪০ পৃষ্ঠা৷)

৩৷ মাসআলাঃ
সদকাতুল ফিতর নিজের পক্ষ থেকে এবং নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজিব। তাছাড়া নিজের স্ত্রী, প্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী, নানা-নানী বা ঘরের অন্যান্য সদস্যদের পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজিব নয়। তবে তাদের অনুমতিক্রমে ফিতরা দিলে আদায় হয়ে যাবে। (সহীহুল বুখারী ১৫১২ হাদীস৷ মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৮১ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে আলমগীরী ১/৪৭০ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে কাসেমীয়া ১/২৮৮ পৃষ্ঠা৷ কানযুদ দাকায়িক ১/২৬৫ পৃষ্ঠা৷ শরহে বেকায়া ১/৫৬৮ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪১ পৃষ্ঠা৷)

৪৷ মাসআলাঃ
ঈদুল ফিতরের দিন সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়৷ কাজেই কোন বাচ্চা যদি সুবহে সাদিকের পুর্বে জন্ম গ্রহণ করে তবে তার উপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে৷ আর কেহ যদি সুবহে সদিকের পুর্বেই মৃত্যবরণ করে তবে তার উপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবেনা৷ তাছাড়া পেটের বাচ্চার পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর দেয়া ওয়াজিব হয় না, কিন্তু কেহ যদি ফিতরা দেয় তবে নফল সদকা হিসেবে বিবেচিত হবে। (সহীহু মুসলিম ২১৭৮ হাদীস৷ মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৮১ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে আলমগীরী ১/৪৬৭-৪৬৮ পৃষ্ঠা৷ শরহে বেকায়া ১/৫৬৯ পৃষ্ঠা৷ বেহেশতী জেওর ৩/২৭৪-২৭৫ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪০-৪১ পৃষ্ঠা৷)

৫৷ মাসআলাঃ
#সদকাতুল_ফিতরের_পরিমাণঃ
عَنْ أَبِىْ سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضى الله عنه ـ يَقُولُ كُنَّا نُخْرِجُ زَكَاةَ الْفِطْرِ صَاعًا مِنْ طَعَامٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ أَقِطٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ زَبِيبٍ‏.‏
হযরত আবূ সা’ঈদ খুদরী রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ তিনি বলেনঃ হযরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মাঝে থাকাবস্থায় আমরা একসা পরিমাণ খাদ্য অথবা একসা পরিমাণ যব অথবা একসা পরিমাণ খেজুর অথবা একসা পরিমাণ পনির অথবা একসা পরিমাণ কিসমিস দিয়ে সদকাতুল ফিতর আদায় করতাম। সনদ সহীহ৷ (সহীহুল বুখারী ১৫০৬ হাদীস৷ সহীহু মুসলিম ২১৭৫ হাদীস৷ সুনানে তিরমিযী ৬৭৩ হাদীস৷ মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৮২ পৃষ্ঠা৷)

৬৷ মাসআলাঃ
যব, খেজুর, আঙ্গুর, পনির এই চার প্রকার খাদ্য দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করতে চাইলে মাথাপিছু একসা পরিমাণ দিতে হবে৷ একসা এর পরিমাণ হলো- ৩কেজি ৩০০গ্রাম৷ সতর্কতাবশত সাড়ে তিন কেজি দেয়া উত্তম হবে৷ আর গম বা আটা দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করতে চাইলে পাথাপিছু আধাসা পরিমাণ দিতে হবে৷ আধাসা এর পরিমাণ হলো- ১কেজি ৬৫০গ্রাম৷ সতর্কতাবশত পৌনে দুই কেজি দেয়া উত্তম হবে৷ (সুনানে ইবনে মাযাহ ১৮২৯ হাদীস৷ সুনানে তিরমিযী ৬৭৩ হাদীস৷ মুয়াত্তা মালিক ৯৯০ হাদীস৷ মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৮২ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে শামী ২/২৬৪ পৃষ্ঠা৷ ইমদাদুল ফতোয়া ২/৭৮ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে জামেয়া ৫/২২০, ৬/৫৫০ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪১ পৃষ্ঠা৷ শরহে বেকায়া ১/৫৬৫ পৃষ্ঠা৷)

৭৷ মাসআলাঃ
#পাঁচ_প্রকার_খাদ্যদ্রব্য_দ্বারা_ফিতরা_আদায়_করা_উত্তমঃ
১৷ যব৷
২৷ খেজুর৷
৩৷ আঙ্গুর বা কিসমিস৷
৪৷ পনির৷
৫৷ গম বা আটা৷
উক্ত পাঁচ প্রকার খাদ্যদ্রব্য থেকে অধিক মূল্যবান বস্তু দ্বারা ফিতরা আদায় করা উত্তম৷ এছাড়া উক্ত মূল্যের অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য দ্বারাও ফিতরা আদায় করা যায়৷ অতএব সাধ্যানুযায়ী সদকাতুল ফিতর আদায় করা উচিত৷ (সহীহু মুসলিম ২১৭৪ হাদীস৷ মুসনাদে আহমাদ ১০৭৯৮ হাদীস৷ সুনানে দারামী ১৬৬৩ হাদীস৷ মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৮৩ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪১-৪২ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়া ও মাসায়িল ৪/১১৪ পৃষ্ঠা৷)

৮৷ মাসআলাঃ
#টাকা_দ্বারাও_সদকাতুল_ফিতর_আদায়_করা_যায়ঃ
যেমন হাদীস শরীফে এসেছে-
ﺃَﻥَّ ﻋُﻤَﺮَ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺄْﺧُﺬُ ﺍﻟْﻌُﺮُﻭﺽَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﺪَﻗَﺔِ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻮَﺭِﻕِ ﻭَﻏَﻴْﺮِﻫَﺎ.
হযরত উমর রাযিঃ সদকাতুল ফিতরের ক্ষেত্রে টাকা ইত্যাদি গ্রহণ করতেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১০৫৩৯ হাদীস৷ আহকামুস সিয়াম ৪১ পৃষ্ঠা৷)
※ অপর বর্ণনায় এসেছে-
হযরত সাহাবায়ে কেরাম রাযিঃ রমযানে সদকাতুল ফিতরে খাদ্যের মূল্য পরিমাণ দিরহাম আদায় করেছেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১০৪৭২ হাদীস৷ আহকামুস সিয়াম ৪১ পৃষ্ঠা৷)
※ প্রসিদ্ধ তাবেয়ী হযরত হাসান বসরী রহিঃ বলেছেনঃ
عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «لَا بَأْسَ أَنْ تُعْطِيَ الدَّرَاهِمَ فِي صَدَقَةِ الْفِطْرِ»
সদকাতুল ফিতর দিরহাম দ্বারা প্রদান করতে কোন সমস্যা নেই। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১০৪৭১ হাদীস৷ আহকামুস সিয়াম ৪২ পৃষ্ঠা৷)

৯৷ মাসআলাঃ
সকল ফকীহগণের ঐকমত্য হলো- গরিবদের জন্য যা বেশী উপকারী হয় তা দ্বারা ফিতরা দেয়া উত্তম। বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, বর্তমাণে টাকা-পয়সাই সবচেয়ে বেশী উপকারী বস্তু৷ কেননা এর দ্বারা সহজেই যে কোন প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব হয়৷ কাজেই টাকা দ্বারা ফিতরা দেয়াই উত্তম৷ আর হাদীসে যেসব বস্তু ফিতরার জন্য নির্ধারন করা হয়েছে তা মূলত সহজতার জন্যই ছিল৷ নির্দিষ্ট করার জন্য ছিলনা৷ তবে মূল্যের পরিমাণ নির্ধারন করার ক্ষেত্রে অবশ্যয়ই উক্ত বস্তুসমূহ দ্বারা নির্ধারণ করতে হবে৷ (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১০৪৭২ হাদীস৷ মুয়াত্তা মালিক ৬১৫ হাদীস৷ মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৮২ পৃষ্ঠা৷ আল মুগনী ৪/২১৯ পৃষ্ঠা৷ শরহে মুয়াত্তা মালিক আওজাযুল মাসালিক ৬/১২৮ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়ায়ে আলমগীরী ১/৪৬৬ পৃষ্ঠা৷ আশরাফুল হিদায়া ২/১৬৯ পৃষ্ঠা৷ বেহেশতী জেওর ৩/৩৩২ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪১ পৃষ্ঠা৷)

১০৷ মাসআলাঃ
ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পুর্বেই সদকাতুল ফিতর আদায় করা উচিত৷ তবে ঈদের নামাযের পরে দিলেও তা আদায় হয়ে যাবে৷ কিন্তু তা অনুত্তম৷ কেননা হযরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদগাহে যাওয়ার পুর্বেই সদকাতুল ফিতর প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছেন৷ তাই ঈদগাহে যাওয়ার পুর্বেই ফিতরা প্রদান করে দিবে৷ (সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮২৭ হাদীস৷ সুনানে আবু দাউদ ১৬১০ হাদীস৷ মুয়াত্তা মালিক ৬১৫ হাদীস৷ ফতোয়ায়ে আলমগীরী ১/৪৬৭ পৃষ্ঠা৷ আশরাফুল হিদায়া ২/১৫৪ পৃষ্ঠা৷ শরহে বেকায়া ১/৫৬৫ পৃষ্ঠা৷ ইসলামী ফিকাহ ২/১৫৫ পৃষ্ঠা৷)

১১৷ মাসআলাঃ
যাদেরকে যাকাত দেওয়া যায় ফিতরাও তাদেরকেই দেওয়া যায়৷ এক ফিতরা একজনকে দেওয়া উত্তম৷ তবে একাধিক ব্যক্তিকেও দেওয়া যায়৷ তেমনিভাবে একাধিক ফিতরাও একজনকে দেওয়া যায়৷ (সুনানে আবু দাউদ ১৬১১ হাদীস৷ ফতোয়ায়ে জামেয়া ৬/৫৫০ পৃষ্ঠা৷ বেহেশতী জেওর ৩/২৭৬ পৃষ্ঠা৷ আহকামুস সিয়াম ৪০ পৃষ্ঠা৷ ফতোয়া ও মাসায়িল ৪/১১২ পৃষ্ঠা৷)
والله اعلم بالصواب.

#সৌজন্যেঃ
আত তাহমীদ ইসলামীক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ৷
তারিখ- ২৫/৪/২০২২ ঈসায়ী৷
২৩ রমযান ১৪৪৩ হিজরী৷

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button