রচনা-প্রবন্ধ

সালাম বিষয়ে কিছু কথা♦

হযরত মাওলানা তাহমীদ শামী

আসসালামু আলাইকুম!
কেমন আছো বন্দ্বুরা??
মুসলিম শরীফে বর্নিত আছে,
হযরত নাবী কারীম সাল্লাল্লাহ
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলিয়াছেনঃ
তোমরা নিজেদের মধ্যে
সালামের বিস্তার ঘটাও!
বেশী বেশী সালাম দিলেই
সালামের বিস্তার ঘটবে।
এক মুসলমান আর এক
মুসলমানের সাথে দেখা-সাহ্মাত
হলে সালাম দেয়ার যে নিয়ম
রাখা হয়েছে,
এ নিয়ম যে কত সুন্দর নিয়ম
তা ব্যাখ্যা করে শেষ করা যায় না।
সালামের মধ্যে শান্তির দোয়া করা হয়।
“আসসালামু আলাইকুম”
এর অর্থ হল আপনাদের শান্তি হোক। আল্লাহ আপনাদের শান্তি দান করুন,
রহমত দান করুন।
সালামের মাধ্যমে শান্তির দোয়া করা হয়, এর চেয়ে ভালো দোয়া
আর কি হতে পারে??
ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মে
পারস্পারিক অভিবাদনের জন্য
এত সুন্দর বাক্য আর নেই।
যেমন কেউ কেউ বলে
গুড মর্নিং বা গুড ইভিনিং
অথবা গুড নাইট।
যার বাংলা হল শুভ সকাল বা
শুভ সন্দ্ব্যা অথবা শুভ রাত।
এ কথাগুলোর অর্থ অস্পষ্ট।
সকাল সুন্দর বা বিকাল সুন্দর
অথবা রাত সুন্দর
এ কথাগুলোর কি অর্থ??
এর অর্থ কি এই যে,
আজকের সকালটা খুব ফ্রেশ!
আকাশটা খুব ফ্রেশ!
বৃষ্টি-বাদল নেই!
মেঘ নেই ইত্যাদি।
যদি এই অর্থ হয়,
তাহলে দেখা-সাহ্মাতের সময়
এ শব্দগুলো বললে
কার কি লাভ হবে???
আর যদি উদ্দিশ্য হয় যে,
আপনার সকালটা সুন্দর হোক,
তাহলে বিকালটার কি দোষ?
আর যদি বলা হয়,
বিকালটা সুন্দর হোক,
তাহলে সকালটার কি দোষ??
আর যদি বলি সকাল-বিকাল
সুন্দর হোক,
এই সুন্দর কথাটাওতো অস্পষ্ট।
কিন্তু সালামের অর্থ হল-
আপনাদের শান্তি হোক।
আর শান্তির চেয়ে বড় কিছু কাম্য নেই।
কারন, আমরা সকলেই শান্তির মুহতায!
জীবনের সকল হ্মেত্রেই শান্তি চাই!
দুনিয়াতেও শান্তি চাই!!
আখিরাতেও শান্তি চাই!!!
আর সালামের মধ্যে
এই শান্তির জন্যই দোয়া করা হয়।
সুতরাং আসুন আমরা সকলে
সালামের ব্যাপক প্রচার-প্রসার ঘটাই।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে অনৈসলামীক তরিকা বর্জন করে,
ইসলামী তরিকা অনুযায়ী
জীবন-যাপন করার
তাওফিক দান করুন -আমিন!
সুম্মা আমিন!!
ইয়া রাব্বাল আলামিন!!!

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button